islam shikha
কে প্রকৃত দ্বীনদার নয়? সংক্ষেপে উত্তর দিন
যে আল্লাহ্ ও রাসূলের নির্দেশ মেনে চলে না, নামাজ-রোজা সহ ফরজ ইবাদতে অবহেলা করে এবং দ্বীনের আদর্শকে জীবনে বাস্তবায়ন করে না — সে প্রকৃত দ্বীনদার নয়।
মুনাজাত বলতে আল্লাহ্র কাছে বিনয়ের সঙ্গে দোয়া, প্রার্থনা ও নিবেদন করাকে বোঝায়। অর্থাৎ আল্লাহর দরবারে নিজের চাহিদা, আশা ও ক্ষমাপ্রার্থনা আন্তরিকভাবে প্রকাশ করাই মুনাজাত।
উদ্দীপকে হাদীস শরীফ এর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
ব্যাখ্যা:
পবিত্র কুরআনের ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ এবং জীবনে বাস্তবায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস হলো রাসূলুল্লাহ ﷺ এর হাদীস। কুরআনে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে নবী করীম ﷺ-এর আনুগত্যের নির্দেশ দিয়েছেন—
👉 “তোমরা আল্লাহকে মান্য কর এবং রাসূলকে মান্য কর।” (সূরা নিসা: ৫৯)
অতএব, দ্বীনের পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা, শিক্ষা ও বাস্তব রূপ হাদীসের মাধ্যমেই পাওয়া যায়। কুরআনকে বোঝা ও অনুসরণের জন্য হাদীস অপরিহার্য। তাই উদ্দীপকে হাদীস অনুসরণের গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে।
উদ্দীপকে আলোচিত বিষয়টি হলো রাসূলুল্লাহ ﷺ।
পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা:
পবিত্র কুরআনের প্রকৃত ব্যাখ্যাকারী ও বাস্তব অনুশীলনকারী হলেন প্রিয় নবী মুহাম্মদ ﷺ। তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে কুরআন গ্রহণ করেছেন এবং মানুষের কাছে তা পৌঁছে দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, নিজের জীবনে কুরআনের শিক্ষা বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন।
কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেছেন—
👉 “তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে।” (সূরা আহযাব: ২১)
এছাড়া আল্লাহর নির্দেশ—
👉 “রাসূল যা তোমাদের দেন তা গ্রহণ কর, আর যা নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাকো।” (সূরা হাশর: ৭)
অতএব, কুরআনের ব্যাখ্যা ও সঠিক অনুসরণের জন্য রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কথা ও কর্ম (সুন্নাহ) অনুসরণ করা অপরিহার্য।
📌 তাই উদ্দীপকে আলোচিত বিষয় হলো রাসূলুল্লাহ ﷺ এর জীবন ও শিক্ষার গুরুত্ব, যিনি কুরআনের ব্যাখ্যা এবং দ্বীনের সঠিক দিকনির্দেশক।
👉 চাইলে আমি এই উত্তরটি আরও সংক্ষেপ আকারে পরীক্ষার খাতার উপযোগী করে লিখে দিতে পারি। কি আমি সেটি লিখে দেব?
Comments
Post a Comment