বিজিএস এসাইনমেন্ট

১১।**বস্তুগত সংস্কৃতি (Material Culture)**  


**সংজ্ঞা:**  

বস্তুগত সংস্কৃতি হলো মানুষের তৈরি বস্তু বা বস্তুনিচয়ের সমষ্টি, যা কোনো সমাজ বা গোষ্ঠীর জীবনযাপন, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যকে প্রতিফলিত করে। এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত জিনিসপত্র, স্থাপত্য, পোশাক, খাদ্য, যন্ত্রপাতি ও শিল্পকর্ম ইত্যাদিকে অন্তর্ভুক্ত করে।  


**উদাহরণ:**  

- **পোশাক:** লুঙ্গি, শাড়ি, পাঞ্জাবি (বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাক)।  

- **খাদ্য:** ভাত, মাছ, ইলিশ, পান্তা ইলিশ (বাঙালি সংস্কৃতির অংশ)।  

- **স্থাপত্য:** ঢাকার আহসান মঞ্জিল, সাত গম্বুজ মসজিদ।  

- **শিল্প ও কারুকার্য:** নকশিকাঁথা, মাটির পাত্র, মৃৎশিল্প।  


**গুরুত্ব:**  

বস্তুগত সংস্কৃতি মানুষের ইতিহাস, সামাজিক কাঠামো ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নকে বুঝতে সহায়তা করে। এটি কোনো সম্প্রদায়ের পরিচয় ও সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা প্রকাশ করে।  

৬।

৬। রেমিট্যান্স কী? এটি দেশের অর্থনীতিতে কেমন ভূমিকা রাখে?

রেমিট্যান্স হলো বিদেশে কর্মরত প্রবাসীদের তাদের উপার্জিত অর্থ নিজ দেশে পাঠানো। সাধারণত এই অর্থ পরিবার-পরিজন, শিক্ষা, চিকিৎসা, গৃহনির্মাণ, এবং অন্যান্য ব্যয় মেটাতে ব্যবহৃত হয়।

দেশের অর্থনীতিতে রেমিট্যান্সের ভূমিকা:
১. বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি করে।
২. দেশের অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনে।
৩. দারিদ্র্য হ্রাসে সাহায্য করে।
৪. কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জীবনযাত্রার মান উন্নত করে।
৫. অবকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্পে পরোক্ষভাবে সহায়তা করে।

রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

Comments

Popular posts from this blog

islam shikha

“Gardening”

এসাইনমেন্ট