আইসিটি ৪র্থ অধ্যায় নোট

 ৭। কোন তথ্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুঁজে পেতে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারের সুবিধা উল্লেখ কর

ans:  ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোনো তথ্য খুঁজে পেতে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারের সুবিধাগুলো হলো —

  1. দ্রুত তথ্য পাওয়া যায়: খুব অল্প সময়ের মধ্যে যেকোনো বিষয়ের তথ্য জানা সম্ভব।

  2. বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়: সার্চ ইঞ্জিন সাধারণত ফ্রি, তাই তথ্য খোঁজার জন্য অতিরিক্ত খরচ হয় না।

  3. বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য পাওয়া যায়: একই বিষয়ের উপর বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য পাওয়া যায়, ফলে তুলনা করা সহজ হয়।

  4. নির্ভুল ও হালনাগাদ তথ্য পাওয়া যায়: সার্চ ইঞ্জিন নিয়মিত নতুন তথ্য যুক্ত করে, তাই সর্বশেষ তথ্য পাওয়া সম্ভব।

  5. সহজ ব্যবহারযোগ্য: সার্চ বক্সে শুধু কীওয়ার্ড লিখলেই প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যায়।

  6. বহুভাষায় তথ্য পাওয়া যায়: নিজের ভাষাসহ বিশ্বের অনেক ভাষায় তথ্য অনুসন্ধান করা যায়।

🔹 উদাহরণ: Google, Bing, Yahoo ইত্যাদি সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে আমরা যেকোনো বিষয় সহজে জানতে পারি।

৮। ওয়েবসাইট ব্যবহারের সুবিধা উল্লেখ কর ?

      ওয়েবসাইট ব্যবহারের সুবিধাগুলো হলো —

  1. সহজে তথ্য পাওয়া যায়: ওয়েবসাইটে বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সহজেই পাওয়া যায়।

  2. ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে: যেকোনো সময়, যেকোনো স্থান থেকে ওয়েবসাইট ব্যবহার করা যায়।

  3. যোগাযোগ সহজ হয়: ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির সঙ্গে সহজে যোগাযোগ করা যায়।

  4. অনলাইন সেবা পাওয়া যায়: ওয়েবসাইট থেকে কেনাকাটা, ভর্তি, বিল পরিশোধ, টিকিট বুকিংসহ নানা কাজ করা যায়।

  5. সময় ও খরচ বাঁচে: ঘরে বসেই প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করা যায়, ফলে সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হয়।

  6. তথ্য প্রচার সহজ হয়: ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের তথ্য, পণ্য বা সেবা দ্রুত সবার কাছে পৌঁছে দিতে পারে।

  7. শিক্ষা ও বিনোদনের উৎস: ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইন ক্লাস, ভিডিও, সংবাদ ও গেমসহ নানা কিছু উপভোগ করা যায়।

🔹 উদাহরণ: শিক্ষা বিষয়ক ওয়েবসাইট (যেমন: Wikipedia), কেনাকাটার ওয়েবসাইট (যেমন: Daraz), এবং সরকারি ওয়েবসাইট (যেমন: www.bangladesh.gov.bd)।

সঙ্গক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

১।সুইচ কি ?

সুইচ কী:

সুইচ হলো একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস, যা একাধিক কম্পিউটার বা ডিভাইসকে পরস্পরের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে। এটি নেটওয়ার্কের ভেতরে তথ্য (ডেটা) এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে সঠিকভাবে পাঠায়।

সহজভাবে বলা যায় —
👉 সুইচ হলো এমন একটি যন্ত্র, যা একই নেটওয়ার্কে থাকা একাধিক কম্পিউটার বা ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করে।

🔹 সুইচের কাজ:

  1. একটি ডিভাইস থেকে প্রেরিত ডেটা গ্রহণ করে।

  2. সেই ডেটা গন্তব্য ডিভাইসটি শনাক্ত করে পাঠিয়ে দেয়।

  3. নেটওয়ার্কে ডেটা সংঘর্ষ (collision) কমায় এবং গতি বাড়ায়।

🔹 সুইচের ব্যবহার:

  • অফিস, স্কুল বা প্রতিষ্ঠানের লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

🔹 উদাহরণ:

Cisco, D-Link, TP-Link ইত্যাদি কোম্পানির তৈরি নেটওয়ার্ক সুইচ।

২।ইন্টারনেট ব্রাউজার কী:

ইন্টারনেট ব্রাউজার হলো এমন একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার, যার সাহায্যে আমরা ইন্টারনেটের ওয়েবসাইটগুলো দেখতে ও ব্যবহার করতে পারি

সহজভাবে বলা যায় —
👉 ইন্টারনেট ব্রাউজার হলো এমন একটি প্রোগ্রাম, যা ইন্টারনেটের তথ্য আমাদের সামনে প্রদর্শন করে।

🔹 ব্রাউজারের কাজ:

  1. ওয়েবসাইটের ঠিকানা (URL) টাইপ করলে সেই সাইটের তথ্য এনে দেখায়।

  2. টেক্সট, ছবি, ভিডিও ও অন্যান্য কনটেন্ট প্রদর্শন করে।

  3. ব্যবহারকারীকে সার্চ করা, ফাইল ডাউনলোড করা ও অনলাইন কাজ করতে সাহায্য করে।

🔹 জনপ্রিয় ইন্টারনেট ব্রাউজার:

  • Google Chrome

  • Mozilla Firefox

  • Microsoft Edge

  • Opera

  • Safari

🔹 উদাহরণ:

তুমি যদি Google Chrome খুলে “www.wikipedia.org” টাইপ করো, তাহলে Chrome ব্রাউজার ইন্টারনেট থেকে সেই ওয়েবসাইটের তথ্য এনে তোমাকে দেখায়।

৩। গুগল আর্থ কী কাজে ব্যবহৃত হয়:

গুগল আর্থ (Google Earth) হলো গুগল কোম্পানির তৈরি একটি বিশেষ প্রোগ্রাম বা অ্যাপ, যার সাহায্যে পুরো পৃথিবীর মানচিত্র ও স্থানগুলোর বাস্তব চিত্র (৩D ভিউ সহ) দেখা যায়।

🔹 গুগল আর্থের প্রধান ব্যবহারসমূহ:

  1. 🌍 বিশ্বের যেকোনো স্থান দেখা: শহর, গ্রাম, পাহাড়, নদী, রাস্তা, বিল্ডিং ইত্যাদি বিস্তারিতভাবে দেখা যায়।

  2. 🧭 দিকনির্দেশ ও অবস্থান জানা: কোনো জায়গার অবস্থান, দূরত্ব ও দিক নির্ধারণে সাহায্য করে।

  3. 🏠 নিজের বা অন্যের বাড়ি বা এলাকা দেখা: স্যাটেলাইট ভিউতে নিজের এলাকা কেমন দেখতে তা জানা যায়।

  4. 🧳 ভ্রমণ পরিকল্পনা করা: ভ্রমণের আগে জায়গা সম্পর্কে ধারণা নিতে কাজে লাগে।

  5. 🧑‍🏫 শিক্ষা ও গবেষণার কাজে: ভূগোল, পরিবেশ, ও পৃথিবী বিষয়ক পড়াশোনায় ব্যবহার হয়।

  6. 🚀 উচ্চ দৃষ্টিকোণ থেকে পৃথিবী দেখা: মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে ঘোরানো ও জুম করে দেখা যায়।

🔹 সংক্ষেপে:
👉 গুগল আর্থ ব্যবহার করে আমরা পৃথিবীর যেকোনো স্থানের বাস্তব ছবি, মানচিত্র ও ভৌগোলিক তথ্য দেখতে পারি।

৪।প্রথম ইন্টারনেট কত সালে কয়টি কম্পিউটার নিয়ে তৈরি হয়েছিল ?

প্রথম ইন্টারনেট ১৯৬৯ সালে তৈরি হয়েছিল।

সেই সময় এর নাম ছিল ARPANET (Advanced Research Projects Agency Network)।

এটি প্রথমে ৪টি কম্পিউটার নিয়ে যুক্ত করা হয়েছিল।

🔹 বিস্তারিতভাবে:

  • সাল: ১৯৬৯ খ্রিস্টাব্দ

  • প্রকল্পের নাম: ARPANET

  • কম্পিউটারের সংখ্যা: ৪টি

  • দেশ: যুক্তরাষ্ট্র

  • উদ্দেশ্য: গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করা

এই চারটি কম্পিউটার যুক্ত ছিল নিচের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে—

  1. UCLA (University of California, Los Angeles)

  2. Stanford Research Institute

  3. UC Santa Barbara

  4. University of Utah

👉 এই নেটওয়ার্কই পরবর্তীতে ধীরে ধীরে আজকের ইন্টারনেটে (Internet) রূপ নেয়।

৫।ইন্টারনেট কী ?

ইন্টারনেট কী:

ইন্টারনেট হলো একটি বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, যেখানে পৃথিবীর লাখ লাখ কম্পিউটার পরস্পরের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে।

সহজভাবে বলা যায় —
👉 ইন্টারনেট হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে সারা বিশ্বের কম্পিউটার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে এবং তথ্য বিনিময় করতে পারে।

🔹 ইন্টারনেটের প্রধান কাজ:

  1. তথ্য আদান-প্রদান করা

  2. ই-মেইল পাঠানো ও গ্রহণ করা

  3. ওয়েবসাইট দেখা

  4. অনলাইন ক্লাস, কেনাকাটা, ব্যাংকিং ইত্যাদি করা

  5. সামাজিক যোগাযোগ (যেমন Facebook, WhatsApp ইত্যাদি)

🔹 উদাহরণ:

যখন তুমি Google-এ কিছু সার্চ করো বা YouTube-এ ভিডিও দেখো — তখন তুমি ইন্টারনেট ব্যবহার করছো।

৬।সুইচ ও রাউডারেরর মধ্যে পার্থক্য কি লিখ ?

সুইচ ও রাউটার-এর মধ্যে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো —

বিষয় সুইচ (Switch) রাউটার (Router)
১. কাজ একই নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সংযুক্ত করে। এক নেটওয়ার্ককে অন্য নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত করে (যেমন: LAN থেকে Internet)।
২. ডেটা আদান-প্রদান নেটওয়ার্কের ভিতরে ডেটা আদান-প্রদান করে। এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে ডেটা পাঠায়।
৩. ব্যবহার ক্ষেত্র অফিস বা প্রতিষ্ঠানের লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN)-এ ব্যবহৃত হয়। ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।
৪. IP ঠিকানা ব্যবহারে ভূমিকা IP ঠিকানা নির্ধারণ করে না। IP ঠিকানা নির্ধারণ ও ব্যবস্থাপনা করে।
৫. উদাহরণ D-Link Switch, Cisco Switch TP-Link Router, MikroTik Router

🔹 সহজভাবে বলা যায়:
👉 সুইচ এক নেটওয়ার্কের ভিতরে ডিভাইসগুলোকে যুক্ত করে, আর রাউটার সেই নেটওয়ার্ককে বাইরের নেটওয়ার্ক (ইন্টারনেট)-এর সঙ্গে যুক্ত করে।

৭।সার্চ ইঞ্জিন কি ? উদাহরণ দাও ?

সার্চ ইঞ্জিন কী:

সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি অনলাইন প্রোগ্রাম বা ওয়েবসাইট, যার মাধ্যমে ইন্টারনেট থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ছবি, ভিডিও বা ওয়েবসাইট সহজে খুঁজে পাওয়া যায়।

সহজভাবে বলা যায় —
👉 সার্চ ইঞ্জিন হলো ইন্টারনেটের তথ্য খোঁজার একটি মাধ্যম।

🔹 সার্চ ইঞ্জিনের কাজ:

  1. ব্যবহারকারী যখন কোনো শব্দ বা প্রশ্ন টাইপ করে, সার্চ ইঞ্জিন ইন্টারনেট থেকে সম্পর্কিত তথ্য খুঁজে দেয়।

  2. সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক ওয়েবসাইট বা পৃষ্ঠাগুলোর তালিকা দেখায়।

🔹 উদাহরণ:

  • Google

  • Bing

  • Yahoo

  • DuckDuckGo

  • Ask.com

🔹 সংক্ষেপে:
যেমন — তুমি যদি Google-এ “বাংলাদেশের ইতিহাস” লিখে সার্চ করো, তাহলে Google (একটি সার্চ ইঞ্জিন) ইন্টারনেট থেকে সেই বিষয়ে সব তথ্য তোমাকে দেখাবে।

৮। www,internet, http,https ও URL এর পূর্নরূপ লিখ।

নিচে প্রতিটির পূর্ণরূপ (Full Form) দেওয়া হলো 👇

  1. WWWWorld Wide Web

  2. InternetInternational Network

  3. HTTPHyperText Transfer Protocol

  4. HTTPSHyperText Transfer Protocol Secure

  5. URLUniform Resource Locator

  6. ৪ র্থ  এর ৬।ওয়ার্ড প্রসেসরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কী এবং তাদের ব্যবহার:

  7. কী (Key) ব্যবহার
    Ctrl + C নির্বাচিত টেক্সট বা অবজেক্ট কপি করা হয়।
    Ctrl + V কপি করা টেক্সট বা অবজেক্ট পেস্ট করা হয়।
    Ctrl + X নির্বাচিত টেক্সট বা অবজেক্ট কেটে নেওয়া হয়।
    Ctrl + Z শেষ করা কাজ বাতিল করা (Undo)।
    Ctrl + Y বাতিল করা কাজ পুনরায় করা (Redo)।
    Ctrl + A পুরো ডকুমেন্ট বা টেক্সট নির্বাচন করা।
    Ctrl + B নির্বাচিত টেক্সটকে মোটা (Bold) করা।
    Ctrl + I নির্বাচিত টেক্সটকে ঢালু (Italic) করা।
    Ctrl + U নির্বাচিত টেক্সটের নিচে আন্ডারলাইন দেওয়া।
    Ctrl + P ডকুমেন্ট প্রিন্ট করা।
    Ctrl + S ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করা (Save)।
    Ctrl + F টেক্সট বা শব্দ খুঁজে বের করা (Find)।

    🔹 নোট:
    এই কী সমূহ সাধারণত Microsoft Word ও অন্যান্য ওয়ার্ড প্রসেসর প্রোগ্রামে ব্যবহার করা হয়।

  8. ৪ র্থ  এর ৭ঃওয়ার্ড প্রসেসরে একটি ফাইল (Save) করার পদ্ধতি:

    ধাপে ধাপে পদ্ধতি:

    1. ডকুমেন্ট তৈরি বা সম্পাদনা করা:
      প্রথমে Microsoft Word বা অন্য কোনো ওয়ার্ড প্রসেসরে টেক্সট লিখো বা সম্পাদনা করো।

    2. ফাইল মেনুতে যাওয়া:
      উপরের বাম দিকে থাকা “File” মেনুতে ক্লিক করো।

    3. Save বা Save As নির্বাচন করা:

      • নতুন ফাইল সংরক্ষণ করতে “Save As” নির্বাচন করো।

      • পূর্বে সংরক্ষিত ফাইল আপডেট করতে “Save” নির্বাচন করো।

    4. ফাইলের অবস্থান নির্বাচন করা:
      ফাইলটি কোথায় সংরক্ষণ করতে চাও সেই ফোল্ডার নির্বাচন করো।

    5. ফাইলের নাম দেওয়া:
      ফাইলের জন্য একটি উপযুক্ত নাম (File Name) লিখো।

    6. ফাইলের ধরন নির্বাচন করা (Optional):
      সাধারণত .docx বা .doc ফাইল ধরন থাকে। প্রয়োজনে পরিবর্তন করা যায়।

    7. Save বাটনে ক্লিক করা:
      সব কিছু ঠিক রাখার পর “Save” বাটনে ক্লিক করো।

    🔹 শর্টকাট কী ব্যবহার করে সেভ করা:

    • Ctrl + S চাপলে সরাসরি ফাইল সংরক্ষণ হয়।

    এইভাবে তোমার ডকুমেন্ট ওয়ার্ড প্রসেসরে সংরক্ষিত থাকবে।

  9. ৪ র্থ  এর ৮ঃওয়ার্ড প্রসেসরে একটি ফাইল (Open) করার পদ্ধতি:

    ধাপে ধাপে পদ্ধতি:

    1. ওয়ার্ড প্রোগ্রাম চালু করা:
      প্রথমে Microsoft Word বা অন্য কোনো ওয়ার্ড প্রসেসর খুলো।

    2. ফাইল মেনুতে যাওয়া:
      উপরের বাম দিকে থাকা “File” মেনুতে ক্লিক করো।

    3. Open নির্বাচন করা:
      মেনু থেকে “Open” অপশন নির্বাচন করো।

    4. ফাইলের অবস্থান নির্বাচন করা:
      যে ফোল্ডারে ফাইলটি সংরক্ষিত আছে সেই ফোল্ডার খুঁজে বের করো।

    5. ফাইল নির্বাচন করা:
      সংরক্ষিত ফাইলের উপর ক্লিক করে সেটি হাইলাইট করো।

    6. Open বাটনে ক্লিক করা:
      নির্বাচিত ফাইলটি খোলার জন্য “Open” বাটনে ক্লিক করো।

    🔹 শর্টকাট কী ব্যবহার করে ফাইল খোলা:

    • Ctrl + O চাপলে সরাসরি ফাইল খোলার উইন্ডো আসে।

    এইভাবে তুমি তোমার সংরক্ষিত ডকুমেন্ট ওয়ার্ড প্রসেসরে খুলে সম্পাদনা করতে পারবে

  10. ৪ র্থ  এর স ১ ঃ অয়ার্ড প্রসেসর কী ?

  11. ওয়ার্ড প্রসেসর কী:

    ওয়ার্ড প্রসেসর হলো একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার, যার সাহায্যে আমরা টেক্সট টাইপ, সম্পাদনা, ফরম্যাটিং এবং প্রিন্টিং করতে পারি।

    সহজভাবে বলা যায় —
    👉 ওয়ার্ড প্রসেসর হলো এমন প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারে লেখা তৈরি, সংরক্ষণ এবং ছাপানোর কাজ সহজ করে।

    🔹 ওয়ার্ড প্রসেসরের প্রধান কাজ:

    1. লেখা টাইপ করা এবং সম্পাদনা করা।

    2. ফন্ট, আকার, রঙ ও স্টাইল পরিবর্তন করা।

    3. ছবি, চার্ট, টেবিল যোগ করা।

    4. ডকুমেন্ট সংরক্ষণ ও প্রিন্ট করা।

    5. বানান বা গ্রামার ঠিক করা।

    🔹 উদাহরণ:

    • Microsoft Word

    • LibreOffice Writer

    • Google Docs

    🔹 সংক্ষেপে:
    ওয়ার্ড প্রসেসর হলো একটি ডিজিটাল টাইপিং ও ডকুমেন্ট তৈরির সফটওয়্যার, যা হাতে লেখা বা মেশিন টাইপের কাজকে সহজ করে।

  12. ৪ র্থ  এর স ২ ঃ ওয়ার্ড প্রসেসর ডকুমেন্টে “Enter” কী চাপলে যা ঘটে:

    1. নতুন লাইন শুরু হয়:
      কার্সর যেখানে আছে, সেই জায়গার পর নতুন লাইন বা প্যারাগ্রাফ শুরু হয়।

    2. প্যারাগ্রাফ আলাদা করা হয়:
      Enter কী চাপলে আগের প্যারাগ্রাফ শেষ হয় এবং নতুন প্যারাগ্রাফ শুরু হয়।

    3. স্পেসিং প্রভাবিত হয়:
      ডিফল্টভাবে Enter কী চাপলে প্যারাগ্রাফের মধ্যে কিছু ফাঁকা লাইন (spacing) থাকে, যা ডকুমেন্টকে সুন্দরভাবে সাজায়।

    🔹 উদাহরণ:

    • তুমি একটি বাক্য লিখলে “Enter” চাপো → কার্সর নিচের লাইনে চলে যায়।

    • পরবর্তী বাক্যটি নতুন লাইনে শুরু হয়।

    👉 সংক্ষেপে, Enter কী হলো নতুন লাইন বা প্যারাগ্রাফ শুরু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

  13. ৪ র্থ  এর স  ৩ঃ  ওয়ার্ড প্রসেসর বন্ধ করার সহজ পদ্ধতি:

    ধাপে ধাপে পদ্ধতি:

    1. ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করা (Optional):
      যদি তুমি কাজ শেষ করে ফাইল সংরক্ষণ করতে চাও → Ctrl + S চাপো বা File → Save করো।

    2. উপরের ডান দিকের ক্রস (X) আইকনে ক্লিক করা:
      ওয়ার্ড উইন্ডোর উপরের ডান দিকে থাকা “X” বাটনে ক্লিক করলেই প্রোগ্রাম বন্ধ হয়ে যায়।

    3. File মেনু থেকে বন্ধ করা (Alternate Method):

      • File → Close নির্বাচন করলেই ডকুমেন্ট বন্ধ হয়।

      • যদি ওয়ার্ডে একাধিক ডকুমেন্ট খোলা থাকে, তাহলে প্রতিটি আলাদাভাবে Close করতে হবে।

    🔹 শর্টকাট কী ব্যবহার করে বন্ধ করা:

    • Alt + F4 চাপলে পুরো ওয়ার্ড প্রোগ্রাম বন্ধ হয়ে যায়।

    👉 সংক্ষেপে, X বাটনে ক্লিক বা Alt + F4 চাপলেই ওয়ার্ড প্রসেসর বন্ধ করা যায়।

  14. ৪ র্থ  এর স  ৪ঃওয়ার্ড ফাইলে নতুন ফাইল (New) খুলতে এবং বিদ্যমান ফাইল (Open) খুলতে শর্টকাট কী হলো —

    1. নতুন ফাইল (New) খোলার জন্য:

      • Ctrl + N

    2. বিদ্যমান ফাইল (Open) খোলার জন্য:

      • Ctrl + O

      • ৪ র্থ  এর স  ৫ঃওয়ার্ড প্রসেসরে পুরাতন ফাইল (Existing File) খোলার শর্টকাট কী হলো:

        Ctrl + O

      • ৪ র্থ  এর স  ৬ঃওয়ার্ড প্রসেসরে কোনো ফাইল বা ডকুমেন্ট প্রিন্ট করার শর্টকাট কী হলো:

        Ctrl + P

        🔹 ব্যবহার:

        • এই শর্টকাট কী চাপলেই প্রিন্ট ডায়ালগ বক্স খোলে।

        • প্রিন্টার নির্বাচন, পৃষ্ঠা সংখ্যা, কপি সংখ্যা ইত্যাদি সেট করে ডকুমেন্ট প্রিন্ট করা যায়।

        👉 সংক্ষেপে, Ctrl + P ব্যবহার করে ডকুমেন্ট দ্রুত প্রিন্ট করা সম্ভব।

      • ৪ র্থ  এর স  ৭ঃকীবোর্ডে Shift এবং Space কী-এর ব্যবহার:

        1️⃣ Shift কী

        • বড় হাতের অক্ষর (Capital Letter) টাইপ করা:
          উদাহরণ: aA

        • বিভিন্ন চিহ্ন টাইপ করা:
          কীবোর্ডের সংখ্যার লাইন থেকে Shift চেপে চিহ্ন লিখা যায়, যেমন 1 → !, 2 → @

        • মাল্টিপল সিলেকশন বা হাইলাইটিং:
          টেক্সট বা ফাইল নির্বাচন করার সময় Shift চেপে ধরে রেঞ্জ নির্বাচন করা যায়।

        2️⃣ Space কী (Spacebar)

        • শব্দ বা টেক্সটের মধ্যে ফাঁকা রাখা:
          লেখার সময় শব্দগুলো আলাদা করতে ব্যবহৃত হয়।

        • নেভিগেশনের জন্য:
          ওয়েবপেজ বা ডকুমেন্টে নিচে স্ক্রল করতে ব্যবহার করা হয়।

        🔹 সংক্ষেপে:

        • Shift → বড় অক্ষর বা বিশেষ চিহ্ন লেখার জন্য।

        • Space → শব্দের মধ্যে ফাঁকা বা স্পেস দেওয়ার জন্য।

        • ৪ র্থ  এর স  ৮ঃনিচে ৪টি জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারের নাম দেওয়া হলো:

          1. Microsoft Word

          2. LibreOffice Writer

          3. Google Docs

          4. WPS Office Writer

          5. ৪ র্থ  এর স  ৯ঃওয়ার্ড প্রসেসরে টেবিল তৈরি করার ধাপসমূহ:

            ধাপে ধাপে পদ্ধতি:

            1. ওয়ার্ড প্রোগ্রাম খুলুন:
              Microsoft Word বা অন্য কোনো ওয়ার্ড প্রসেসর চালু করুন।

            2. যেখানে টেবিল তৈরি করতে চান সেখানে কার্সর স্থাপন করুন।

            3. Insert মেনু নির্বাচন করুন:
              উপরের মেনুবার থেকে “Insert” এ ক্লিক করুন।

            4. Table অপশন নির্বাচন করুন:

              • Table বাটনে ক্লিক করুন।

              • গ্রিড থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী সারি (Row) ও কলাম (Column) সংখ্যা নির্বাচন করুন।

              • অথবা “Insert Table” এ ক্লিক করে নির্দিষ্ট সংখ্যা টাইপ করতে পারেন।

            5. টেবিল তৈরি হওয়া:
              নির্বাচিত সারি ও কলাম অনুযায়ী ডকুমেন্টে টেবিল তৈরি হবে।

            6. টেবিল সম্পাদনা ও ফরম্যাট করা:

              • সারি/কলাম যোগ বা মুছে ফেলা

              • বর্ডার, শেডিং, ফন্ট স্টাইল পরিবর্তন

              • সেল মার্জ (Merge) বা স্প্লিট (Split) করা

            🔹 সংক্ষেপে:
            Insert → Table → প্রয়োজনীয় সারি ও কলাম নির্বাচন → টেবিল তৈরি → প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পাদনা।

          6. ৪ র্থ  এর স  ১০ঃওয়ার্ড প্রসেসরে কোনো লেখা মুছে ফেলার পদ্ধতি:

            ধাপে ধাপে পদ্ধতি:

            1. মুছে ফেলতে চাওয়া লেখা নির্বাচন করা:

              • ক্লিক ও ড্র্যাগ করে টেক্সট হাইলাইট করুন।

              • অথবা কার্সর রেখে Shift + Arrow Key ব্যবহার করে নির্বাচিত করুন।

            2. ডিলিট (Delete) বা ব্যাকস্পেস (Backspace) কী চাপা:

              • Delete কী: কার্সরের ডান দিকের লেখা মুছে দেয়।

              • Backspace কী: কার্সরের বাম দিকের লেখা মুছে দেয়।

            3. শর্টকাট ব্যবহার করা:

              • নির্বাচিত লেখা মুছে ফেলার জন্য Ctrl + X চাপলেও লেখা কেটে নেওয়া হয় (কপি করে রাখে)।

            🔹 সংক্ষেপে:
            লেখা নির্বাচন → Delete বা Backspace চাপা → লেখা মুছে ফেলা।

          7. ৪ র্থ  এর স  ১১ঃওয়ার্ড প্রসেসরে নতুন ফাইল সেভ করার শর্টকাট কী হলো:

            Ctrl + S

            🔹 ব্যবহার:

            • এই কী চাপলেই নতুন ফাইল বা সম্পাদিত ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করা হয়।

            • প্রথমবার ফাইল সেভ করলে Save As ডায়ালগ বক্স খোলে, যেখানে ফাইলের নাম ও অবস্থান নির্বাচন করতে হয়।

            • ৪ র্থ  এর স  ১২ঃবিনামূল্যে পাওয়া যায় এমন কিছু ওয়ার্ড প্রসেসর সফটওয়্যারের নাম হলো:

              1. LibreOffice Writer

              2. Google Docs

              3. WPS Office Writer (Free Version)

              4. Apache OpenOffice Writer

              5. ৪ র্থ  এর স  ১৩ ঃকিছু ওপেন সোর্স সফটওয়্যারের নাম হলো:

                1. LibreOffice

                2. Apache OpenOffice

                3. GIMP (Graphics Editor)

                4. Mozilla Firefox (Web Browser)

                5. VLC Media Player

                6. Linux OS (Ubuntu, Fedora, Debian ইত্যাদি)

                🔹 নোট: ওপেন সোর্স সফটওয়্যারগুলো বিনামূল্যে ব্যবহার ও পরিবর্তন করা যায়।

              6. ৪ র্থ  এর স  ১৪ ঃটাইপরাইটারের সবচেয়ে বড় অসুবিধা হলো:

                • ভুল সংশোধন করা কঠিন:
                  টাইপ করার সময় যদি কোনো লেখা ভুল হয়, তা সহজে মুছে বা ঠিক করা যায় না। ভুল হলে আবার নতুন করে টাইপ করতে হয় বা বিশেষ কনসামেবল (যেমন correction fluid) ব্যবহার করতে হয়।

                অন্যান্য অসুবিধা (সংক্ষেপে):

                1. কম্পিউটারের মতো সম্পাদনা বা ফরম্যাটিং সম্ভব নয়।

                2. ফাইল সংরক্ষণ বা ইলেকট্রনিকভাবে ভাগ করা যায় না।

                3. দ্রুত টাইপ করার পরও ডকুমেন্টের পুনঃপ্রিন্ট করা লাগে।

                4. ছোট ফন্ট পরিবর্তন বা স্টাইল পরিবর্তন করা যায় না।

                🔹 সংক্ষেপে, টাইপরাইটারে ভুল সংশোধন ও ডকুমেন্ট সম্পাদনা সবচেয়ে বড় অসুবিধা।

              7. ৪ র্থ  এর স  ১৫ ঃওয়ার্ড প্রসেসরে নতুন ফাইল সেভ করার ধাপসমূহ:

                ধাপে ধাপে পদ্ধতি:

                1. ওয়ার্ড প্রোগ্রাম খুলুন
                  Microsoft Word বা অন্য কোনো ওয়ার্ড প্রসেসর চালু করুন এবং নতুন ডকুমেন্ট তৈরি করুন।

                2. লেখা বা ডকুমেন্ট তৈরি/সম্পাদনা করুন
                  প্রয়োজনীয় লেখা টাইপ বা সম্পাদনা করুন।

                3. ফাইল মেনুতে যান
                  উপরের বাম দিকে থাকা “File” মেনুতে ক্লিক করুন।

                4. Save As নির্বাচন করুন

                  • নতুন ফাইল সংরক্ষণ করতে “Save As” অপশন নির্বাচন করুন।

                5. ফাইলের অবস্থান নির্বাচন করুন

                  • যেখানে ফাইলটি সংরক্ষণ করতে চান সেই ফোল্ডার বা ড্রাইভ নির্বাচন করুন।

                6. ফাইলের নাম দিন

                  • ফাইলের জন্য একটি উপযুক্ত File Name লিখুন।

                7. ফাইলের ধরন নির্বাচন করুন (Optional)

                  • সাধারণত .docx বা .doc ব্যবহার করা হয়। প্রয়োজনে পরিবর্তন করা যায়।

                8. Save বাটনে ক্লিক করুন

                  • সব ঠিক থাকলে “Save” বাটনে ক্লিক করুন।

                🔹 শর্টকাট কী ব্যবহার:

                • Ctrl + S চাপলেই ফাইল সংরক্ষিত হয়।

                • প্রথমবার ফাইল সেভ করলে Save As ডায়ালগ আসে।

                ✅ সংক্ষেপে:
                File → Save As → অবস্থান ও নাম নির্বাচন → Save → ফাইল সংরক্ষিত।

Comments

Popular posts from this blog

islam shikha

“Gardening”

এসাইনমেন্ট